দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

লারাক দ্বীপে হামলার জবাবে জর্ডানে অবস্থিত আমেরিকান বাহিনীর ওপর হামলা করার কথা জানিয়েছে ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।
ইরানের বিভিন্ন বার্তা সংস্থায় প্রকাশিত বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, আগ্রাসনকারীদের শাস্তি হিসেবে এই ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে কিং হুসেইন ও আল আজরাক ঘাঁটিতে।
আইআরজিসি দাবি করে, এই হামলায় ঘাঁটিগুলোর প্রযুক্তিগত ও পুনর্গঠনমূলক সক্ষমতা ধ্বংস হয়ে গেছে। হামলায় শত্রুপক্ষের বিমান উড্ডয়ন স্থাপনাও ধ্বংস হয়ে গেছে বলে দাবি করেছে তারা।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এত আগ্রাস ও অপরাধের পরও আইআরজিসিকে দমিয়ে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিতে শত্রুর চেষ্টা থামবে না এবং প্রতিটা হামলারই তার চেয়েও ভয়ংকর জবাব দেওয়া হবে।
এর আগে, রোববার (৩০ আগস্ট) ইরানের লারাক দ্বীপে আইআরজিসির দুটি রকেট লাঞ্চারে আমেরিকা বোমা হামলা চালায়। ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার করে ওই হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় আইআরজিসি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, রোববার (৩০ আগস্ট) মাইনবাহী আমেরিকার দুই জাহাজে ওই রকেট লাঞ্চার দুটি হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তখনই তাদের ওপর বোমাবর্ষণ করা হয়। খবর আল জাজিরার।
ওই মার্কিন কর্মকর্তা আরও জানান, আমেরিকান বাহিনী নিবিড়ভাবে ওই এলাকা পর্যবেক্ষণ করছে এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌযানের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিতে তৈরি রয়েছে।
আমেরিকার হামলার কথা নিশ্চিত করে আইআরজিসি জানিয়েছে, লারাক দ্বীপে রোববারের হামলায় বেশ কয়েকজন যোদ্ধা ও বেসামরিক বাসিন্দা নিহত হয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা জানায়, আইআরজিসি এর জন্য দায়ীদের শাস্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে, হতাহতের সংখ্যা নিয়ে আইআরজিসি কোনো নির্দিষ্ট তথ্য দেয়নি।
কে